ছয় বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তির আশায় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া
আদালতে আপিল করেছিলেন মিশেল প্লাতিনি। কিন্তু ক্রীড়া আদালত তাঁর উপর আরোপিত
নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি না তুলে ছয় বছরের জায়গায় তা কমিয়ে চার বছর করেছে।
সোমবার আদালতের এমন রায়ে মোটেই খুশি নন প্লাতিনি। তবু বিচারের রায় মেনে
ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (উয়েফা) সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন
ফ্রান্সের এই কিংবদন্তি ফুটবলার।
২০১১ সালে প্লাতিনিকে তৎকালীন ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারের ‘অবৈধ উপায়ে’ ২০ লক্ষ ডলার দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তদন্তে সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় গত ডিসেম্বরে দু’জনকেই আট বছরের জন্য ফুটবল সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড থেকে নির্বাসিত করে ফিফার এথিক্স কমিটি। একই অপরাধে প্লাতিনিকে ৮০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানাও করা হয়। পরে গত ফেব্রুয়ারিতে ফিফার আপিল কমিটি দু’জনের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে ছয় বছর করে। কিন্তু আপিল কমিটির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার আশায় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিল করেন প্লাতিনি ও ব্লাটার। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। ক্রীড়া আদালত জানিয়েছে, ব্লাটার যে অর্থ প্লাতিনিকে দিয়েছেন তার ‘বৈধতা’র প্রশ্নে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ‘অপরাধ করেও অনুতপ্ত না হওয়ায়’ এবং ‘ফিফার ভাবমূর্তি নষ্ট করায়’ আপিলের রায়ে প্লাতিনির নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্ট (সিএএস)। অবশ্য নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দুই বছর কমিয়ে চার বছর করা হয়। পাশাপাশি প্লাতিনির আর্থিক জরিমানাও কমিয়ে ৮০ হাজার সুইস ফ্রাঁ থেকে ৬০ হাজার সুইস ফ্রাঁ করে বিশ্ব ক্রীড়ার সর্বোচ্চ আদালত। এই রায়ের পরই টানা তিনবার ব্যালন ডি’অর জয়ী প্লাতিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। প্লাতিনির আইনজীবি দল সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘উয়েফার আগামী কংগ্রেসেই সংস্থার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মিশেল প্লাতিনি।’
২০০৭ সাল থেকে উয়েফার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন প্লাতিনি। এ বছর ফিফা সভাপতি নির্বাচনেও তিনি ছিলেন শক্তিশালী প্রার্থী। কিন্তু দুর্ণীতির দায়ে শাস্তি পাওয়ায় তাঁর প্রার্থিপদ বাতিল হয়ে যায় এবং উয়েফার প্রাক্তন সচিব জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন। সোমবারের রায়ে ৬০ বছর বয়সী তারকা ফুটবল প্রশাসকের ভবিষ্যৎ ঘোর অন্ধকারে ঢেকে গেল। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্লাতিনি বলেন, ‘আজ ক্রীড়া আদালত যে রায় দিয়েছে তাকে আমি মস্ত বড় এক অবিচার হিসেবেই বর্ণনা করব। এই রায়ে, কার্যত, পরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনেও আমার লড়াইয়ের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল। এখন পূর্বপ্রতিশ্রুতি অনুসারে, আমি উয়েফা সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’ ফলে আগামী মাসে নিজের দেশ ফ্রান্সে অনুষ্ঠেয় ইউরো কাপের কোনও দায়িত্বে থাকতে পারবেন না প্লাতিনি। এমনকি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার জন্য মাঠে ঢোকার নৈতিক অধিকারও হারালেন তিনি। অথচ ফিফা কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার আগে পর্যন্ত প্লাতিনিই ছিলেন ইউরো কাপ আয়োজনের অন্যতম কাণ্ডারি।
২০১১ সালে প্লাতিনিকে তৎকালীন ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটারের ‘অবৈধ উপায়ে’ ২০ লক্ষ ডলার দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তদন্তে সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় গত ডিসেম্বরে দু’জনকেই আট বছরের জন্য ফুটবল সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ড থেকে নির্বাসিত করে ফিফার এথিক্স কমিটি। একই অপরাধে প্লাতিনিকে ৮০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানাও করা হয়। পরে গত ফেব্রুয়ারিতে ফিফার আপিল কমিটি দু’জনের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে ছয় বছর করে। কিন্তু আপিল কমিটির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার আশায় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিল করেন প্লাতিনি ও ব্লাটার। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। ক্রীড়া আদালত জানিয়েছে, ব্লাটার যে অর্থ প্লাতিনিকে দিয়েছেন তার ‘বৈধতা’র প্রশ্নে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ‘অপরাধ করেও অনুতপ্ত না হওয়ায়’ এবং ‘ফিফার ভাবমূর্তি নষ্ট করায়’ আপিলের রায়ে প্লাতিনির নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্ট (সিএএস)। অবশ্য নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দুই বছর কমিয়ে চার বছর করা হয়। পাশাপাশি প্লাতিনির আর্থিক জরিমানাও কমিয়ে ৮০ হাজার সুইস ফ্রাঁ থেকে ৬০ হাজার সুইস ফ্রাঁ করে বিশ্ব ক্রীড়ার সর্বোচ্চ আদালত। এই রায়ের পরই টানা তিনবার ব্যালন ডি’অর জয়ী প্লাতিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন। প্লাতিনির আইনজীবি দল সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘উয়েফার আগামী কংগ্রেসেই সংস্থার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মিশেল প্লাতিনি।’
২০০৭ সাল থেকে উয়েফার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন প্লাতিনি। এ বছর ফিফা সভাপতি নির্বাচনেও তিনি ছিলেন শক্তিশালী প্রার্থী। কিন্তু দুর্ণীতির দায়ে শাস্তি পাওয়ায় তাঁর প্রার্থিপদ বাতিল হয়ে যায় এবং উয়েফার প্রাক্তন সচিব জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন। সোমবারের রায়ে ৬০ বছর বয়সী তারকা ফুটবল প্রশাসকের ভবিষ্যৎ ঘোর অন্ধকারে ঢেকে গেল। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্লাতিনি বলেন, ‘আজ ক্রীড়া আদালত যে রায় দিয়েছে তাকে আমি মস্ত বড় এক অবিচার হিসেবেই বর্ণনা করব। এই রায়ে, কার্যত, পরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনেও আমার লড়াইয়ের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল। এখন পূর্বপ্রতিশ্রুতি অনুসারে, আমি উয়েফা সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’ ফলে আগামী মাসে নিজের দেশ ফ্রান্সে অনুষ্ঠেয় ইউরো কাপের কোনও দায়িত্বে থাকতে পারবেন না প্লাতিনি। এমনকি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার জন্য মাঠে ঢোকার নৈতিক অধিকারও হারালেন তিনি। অথচ ফিফা কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার আগে পর্যন্ত প্লাতিনিই ছিলেন ইউরো কাপ আয়োজনের অন্যতম কাণ্ডারি।

No comments:
Post a Comment